গোলমরিচ দাঁতে ব্যথা, অন্ত্র ও পেট পরিষ্কার এবং সর্দি-কফ উপশমে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

বন্ধুরা, আজকে আমরা গোলমরিচের রহস্যকথা সম্পর্কে জানবো। অনেকেরই খুব পছন্দ আবার ঝালের কারণে অনেকে পছন্দ না করলেও বিশ্বাস করুন এর ঔষধি গুন সম্পর্কে জানলে আপনি আর এটি ব্যবহার না করে থাকতে পারবেন না। মসলার রাজা গোল মরিচ যেমন সুস্বাদু, তেমন উপকারী।

ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলে বিশেষ করে কেরালায় ও এশিয়ার দক্ষিণ দেশগুলিতে এই গোল মরিচ সব থেকে বেশি চাষ করা হয়।গোল মরিচ সেবনের একটি বড় সুবিধা হল এটি ওজন হ্রাসে সহায়তা করে। এটি হজমের পক্ষেও ভাল বলে এবং দেহকে ডিটক্সাইফাই করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

বাঙালি রান্নায় বিভিন্ন মসলার ব্যবহার খাবারে আনে অভিনব স্বাদ। আর একারণেই বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এই উপমহাদেশের খাবারের পদগুলো। এমনই একটি মসলা হল গোলমরিচ, যা প্রায় সব রান্নায় কমবেশি ব্যবহার হয়। এই মশলাটি যখন খাবারে যুক্ত হয়, তখন এটি আপনার খাবারের স্বাদ আরও ভাল এবং মজাদার করে তোলে।

খুবই জনপ্রিয় একটি খাবারের পদ হলো মুরগির রোস্ট কিন্তু গোলমরিচ গুঁড়ো ছাড়া মুরগির রোস্ট মুকুটবিহীন রাজার মতো। কাঁচা আমের জুইস, একটু গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দেখুন। মজাদার মিষ্টি ডেসার্ট “মালপোয়া” একটু গোলমরিচ গুঁড়ো। খাওয়ার সময় দুই দাঁতের মাঝে পড়বে, সুন্দর গন্ধে মুখটা ভরে যাবে আর আপনার মনটাও ভালো হয়ে যাবে।

গোলমরিচ বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত মশলা। এটি একটি তীক্ষ্ণ এবং হালকা মশলাদার স্বাদযুক্ত যা অনেক খাবারের সাথে ভালভাবে যায়। শক্তিশালী, উপকারী উদ্ভিদ যৌগগুলির উচ্চ ঘনত্বের কারণে এটি হাজার বছর ধরে প্রাচীন আয়ুর্বেদিক ওষুধে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি “মশলার রাজা” হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।

গোলমরিচগুলি শুকিয়ে যাওয়ার পরে, পিষে তেল বের করা যায়। এটি সৌন্দর্য পণ্যে ব্যবহৃত হয়। গোলমরিচ তেল একটি আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ তেল হিসাবে এবং নির্দিষ্ট সৌন্দর্য এবং ভেষজ চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

গোলমরিচ কি?

গোলমরিচের ইংরেজি নাম Black pepper. এর বৈজ্ঞানিক নাম Piper nigrum. Piperacea পরিবারের পুষ্টিতে ভরা ঝাঁঝালো ও শুকনো ফল যা সাধারণত মশলা হিসেবে প্রতিটি রান্নাঘরে ব্যবহার করা হয়। এটি একটি গাছ থেকে চাষ করা হয় যার মধ্যে এক রকমের ফুল থেকে গোল মরিচের সৃষ্টি হয়। গোল মরিচ সাধারণত তিন প্রকারের হয়- কালো, সবুজ ও সাদা গোল মরিচ।

গোলমরিচ এবং মধু ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার মহৌষধ:

মধু গলা ব্যথা প্রশমিত করতে, কাশি দমন করতে এবং কালো গোলমরিচের শীতল লড়াইয়ের ক্রিয়াকে বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে জানা যায়। আপনি গরম জলে গোলমরিচ গুঁড়ো এবং কয়েক ফোটা মধু যোগ করে সেবন করুন। বিশ্বাস করুন বা না করুন, এর কার্যকারিতা আপনি সাথে সাথে অনুভব করবেন।

গোলমরিচের স্বাস্থ্য উপকারীতা:

গোলমরিচে রয়েছে পিপেরিন নামক একটি বিশেষ উপাদান। এর পাশাপাশি এই মশলাটি আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, জিঙ্ক, ক্রোমিয়াম, ভিটামিন এ ও সি এবং অন্যান্য উপাদানে ভরপুর। তারা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, লিপিড-হ্রাস গুণাবলী ধারণ করতে পারে-যকৃত, কিডনি এবং অন্ত্রের প্রতিরক্ষামূলক ও এন্টিক্যান্সার গুণাবলী রয়েছে।

উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট বিদ্যমান:

পিপেরিন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে গোলমরিচ সমৃদ্ধ, যা আপনার কোষগুলিকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতি রোধ করতে সহায়তা করতে পারে।গোলমরিচ পিপেরিন নামক একটি উদ্ভিদ যৌগে সমৃদ্ধ, যা টেস্ট-টিউব সমীক্ষায় শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সুস্বাস্থ্যের জন্যে এন্টি অক্সিডেন্ট খুবই প্রয়োজন এবং গোল মরিচে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট যা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া সারাদিন যারা অত্যাধিক কাজের চাপের মধ্যে থেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে গোল মরিচ একটি অনবদ্য ঔষধির কাজ করে।এতে আছে উচ্চ পরিমাণ ফেনোলিক উপাদান যা স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই প্রয়োজনীয়। এগুলি ক্যান্সারের বিরুধ্যেও লড়াই করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে:

কালো মরিচে একটি সক্রিয় যৌগ থাকে যা প্রাণীতে প্রদাহ হ্রাস করতে দেখানো হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাতজনিত ইঁদুর নিয়ে অধ্যয়নের ক্ষেত্রে,  পিপেরিনের সাহায্যে চিকিৎসা করার ফলে সংশ্লেষ কম হয় এবং প্রদাহের উন্নতি ঘটে। মাউস স্টাডিতে, হাঁপানি এবং seasonal জনিত অ্যালার্জির কারণে শ্বাসনালীতে প্রদাহকে দমন করে পিপেরিন।

গোল মরিচের এন্টিব্যাক্টিরিয়াল উপাদান শরীরের যে কোনো রকমের সংক্রমণের বিরুধ্যে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। একটি দক্ষিণ আফ্রিকান পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, গোল মরিচে থাকা পিপারাইন শরীরে যেকোনো জীবাণুর বিরুধ্যে লড়াই করে, বিশেষ করে যখন সেই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে প্রজনন শুরু করে। এর ফলে আপনি নানা রকমের অসুখ থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

ক্যান্সারের রোধ করে:

ক্যান্সারের বিরুধ্যে সুরক্ষা প্রদান করতে গোল মরিচের জুড়ি মেলা ভার। শরীরে সেলিনিয়াম, কারকিউমিন, বেটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন বি শোষণ করতে গোল মরিচ বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। এগুলি ক্যান্সার রোধকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে।কোলন ক্যান্সারের বিরুধ্যে গোল মরিচ রেকটামে চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রোস্ট্রেট ক্যান্সারের জন্যেও এই গোল মরিচ বিশেষভাবে উপকারী। ক্যান্সারের জন্যে যেসব ডোক্টাক্সেল বা কেমো থেরাপির ওষুধ ব্যবহৃত হয়, সেগুলির অনেকগুলিই গোল মরিচের সাহায্যে তৈরী হয়।

হলুদ মিশ্রিত হয়ে গেলে মরিচ ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে বলা হয়। এটি হলুদ ও কালো মরিচ মিশিয়ে দুধ আকারে খাওয়া যেতে পারে। এই পানীয় সাধারণত তীব্র সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দেওয়া হয়। বলা হয় এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন এ এবং ক্যারোটিনয়েড সমন্বিত যা ক্যান্সার এবং অন্যান্য মারাত্মক রোগ নিরাময়ে সহায়তা করে। এছাড়াও, আপনার প্রতিদিনের ডায়েটের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি অবশ্যই যুক্ত করা উচিত কারণ আপনি প্রাকৃতিকভাবে ফিট থাকার সর্বোত্তম উপায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ উপাদান:

পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে এতে ক্যালরি কম, আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন কে এবং ভিটামিন সি।পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ইত্যাদি খনিজও এতে বিদ্যমান। তাই খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি চর্বি কমাতেও তা অনন্য। গোলমরিচে আছে ‘পিপেরিন’ নামক এক উপাদান যা বিপাকের গতি বাড়ায় এবং শরীরে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

আশ্চর্যজনক মশলা আপনাকে ওজন হ্রাস করতে সহায়তা করে এবং এটি গ্রিন টিতে যোগ করা যেতে পারে এবং দিনে দুই থেকে তিনবার পরিমাণমতো খাওয়া যায়। এছাড়াও গোলমরিচে রয়েছে ‘থার্মোজেনিক’-জাতীয় খাদ্য উপাদান, যা দ্রুতি চর্বি ঝরায় এবং বিপাকক্রিয়া বাড়ায়।যদি আপনি কোনও ফিটনেস উৎসাহী হয়ে ওজন দ্রুত হ্রাস করতে চান তবে আপনার প্রতিদিনের মেন্যুতে আপনাকে গোল মরিচ যোগ করতে হবে।

বাত বা আর্থ্রাইটিসের জন্যে গোল মরিচ:

গোল মরিচ থেকে তৈরী তেল বাতের ব্যাথা বা আর্থ্রাইটিসের জন্যে বেশ উপকারী। অনেক আয়ুর্বেদিক ও ভেষজ চিকিৎসায় গোল মরিচ থেকে তৈরী তেল দিয়ে আর্থ্রাইটিসের ব্যাথা মালিশ করে ঠিক করা হয়। এছাড়া গোল মরিচে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই ভাল।

আপনি যদি জয়েন্টে ব্যথার আর্থ্রাইটিসেভুগে থাকেন তবে আপনাকে চিন্তিত হতে হবে না কারণ গোলমরিচের ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে যা আপনাকে এই সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে পারে। এটি গাউট প্রতিরোধেও সহায়তা করে। এটি মেরুদণ্ড এবং জয়েন্টে ব্যথায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

দাঁত ও মুখের জন্যে গোল মরিচ:

কিছু কিছু টুথপেস্টে গোল মরিচ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি দাঁতে ব্যাথা ও মুখের জন্যে খুব উপকারী। গোল মরিচের এন্টি ব্যাক্টিরিয়াল উপাদান দাঁত ও মুখের জন্যে বিশেষভাবে উপকারী।মাড়ির সমস্যা হলে বা ফুলে গেলে এক চিমটি নুনের সাথে একটুখানি গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে মাড়িতে হালকা করে মালিশ করুন। অবশ্যই ভাল ফল পাবেন। তবে এটি করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

ত্বকের সমস্যাগুলি ভালো করে:

‘মশালার কিং’ গোলমরিচ ত্বকের রঙ্গকতা (ভিটিলিগো) রোধ করতে সহায়তা করে। এটি অকালকালীন বার্ধক্য এবং অন্ধকার দাগগুলিও প্রতিরোধ করে।

হজমের জন্য ভাল ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে:

বেশি নয় মাত্র এক চিমটি। গোলমরিচ হজমে ভাল সহায়তা করে এবং এটি কাঁচা খাওয়ার পরে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড পাকস্থলীর দ্বারা নির্গত হয় এবং প্রোটিনগুলি ভেঙে ফেলতে সহায়তা করে।

গোলমরিচ কীভাবে সর্দি এবং কাশি থেকে লড়াই করতে সহায়তা করে:

গোলমরিচ ভিটামিন সি দ্বারাও সমৃদ্ধ, যা স্বাভাবিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে। সর্বাধিক বেনিফিটের জন্য গোলমরিচ গুঁড়ো করে নেওয়া ভালো।

গোলমরিচ বুকে জমা কফ পরিষ্কার করে এবং সর্দিতে বন্ধ নাক খুলে দেয়।শীতকালে, আপনার সমস্ত খাবারে অল্প পরিমাণে গোলমরিচ যোগ করা আপনাকে সুস্থ রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। কিছুটা মধু মিশ্রিত গোলমরিচ আপনাকে বুকের কফ রোধে সহায়তা করতে পারে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যেও গোল মরিচের উপকারিতা প্রবল। গোল মরিচে থাকা পিপেরিন একটি এনজাইম তৈরী করে যা মস্তিষ্কের নিউরো ট্রান্সমিটারকে ঠাণ্ডা করতে সাহায্য করে। এই এনজাইম মেলাটোনিনকে নিয়ন্রণ করতেও সাহায্য করে যা মানুষের ঘুমের চক্রকে শান্তভাবে মানিয়ে চলে।

পার্কিনসন্স রোগের জন্যেও গোল মরিচের উপকারিতা আছে। গোল মরিচের দ্বারা তৈরী হওয়া ডোপামাইন সু-চিন্তা ও খুশি থাকার হরমোন সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বিষন্নতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

নিয়মিত গোল মরিচ খাওয়ার ফলে আলজাইমার হওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে আসে। এটি স্নায়ুকে শান্ত করে ও দ্রুত কোষের মৃত্যু হওয়াকে রোধ করে।

গোলমরিচ মরিচ কি চায়ে ভাল? কিভাবে বানাবেন গোলমরিচ চা:

গোলমরিচ যদি সঠিকভাবে এবং সঠিক পরিমাণে নেওয়া হয়, তবে প্রাকৃতিকভাবে বিপাকটিকে পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করতে পারে। আপনার চায়ের সাথে  গোলমরিচ 1 / 2-1 চা চামচ যোগ করুন। আপনি আপনার চায়ের সাথে অন্যান্য বিপাক-বর্ধনকারী ঔষধি এবং মশলা যেমন আদা, তুলসী বা দারচিনিও যুক্ত করতে পারেন।

গোলমরিচের চা: পাত্রে এক কাপ পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে সামান্য আদা বাটা যোগ করতে হবে। পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে পানিটুকু একটি কাপে ছেঁকে নিতে হবে। এবার তাতে ‘গ্রিন টি’র ‘ব্যাগ’ ডুবিয়ে দিতে হবে এবং মেশাতে হবে আধা চা-চামচ গোলমরিচ। তৈরি হয়ে গেল গোলমরিচের চা।

চিবিয়ে: মসলার ঝাঁঝ সইতে পারলে গোলমরিচ সরাসরি চিবিয়েও খেতে পারেন। খালি পেটে দু-তিনটি গোলমরিচের দানা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন।

মধুর সঙ্গে: একটি পাত্রে এক কাপ পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার তাতে এক চা-চামচ মধু আর আধা চা-চামচ সদ্য পেষা গোলমরিচের গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে পান করলে শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান অপসারণে সাহায্য করবে এই পানীয়।

সতর্কতাঃ

তবে খেতে হবে পরিমাণ মতো। দিনে এক থেকে দুই চা-চামচের বেশি গোলমরিচ গ্রহণ করলে দেখা দিতে পারে নানান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এটি চোখে পড়লে জ্বলতে পারে। কিছু লোকের ক্ষেত্রে কালো মরিচ থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।

অতিরিক্ত গোলমরিচ খেলে গ্যাসের সমস্যা কিংবা পেটে গোলমাল দেখা দিতে পারে। অন্ত্রের ভেতরে দেয়ালে অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে। গর্ভবতী অবস্থায় গোলমরিচ খাওয়া যাবে না। কারণ তাতে গর্ভপাতের আশঙ্কা বাড়ে। আর গোমমরিচ খাওয়ার পর খারাপ লাগলে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করতে হবে।

সূত্রঃ healthline

Share