রূপচর্চায় ভাতের মাড়।

ভাত রান্না করে আমরা সকলেই ভাতের মাড় ফেলে দিয়ে থাকি। কিন্তু এর উপকারীতা সম্পর্কে জানলে আর কখনোই আমরা ফেলে দেব না। ভাতের মাড় বিশেষত রূপচর্চায় অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে মাড় খুবই কার্যকরী। ভাতের মাড় ত্বকের জলীয় ভাব বজায় রাখে। ত্বকের বলিরেখা দূর করার জন্য ভাতের মাড়ের কোনো বিকল্প নেই। তাই ত্বক থেকে চুলের যত্নে কাজে লাগিয়ে দেখুন ভাতের মাড়। ফল মিলবে ম্যাজিকের মতো।

এবার জেনে নেওয়া যাক, রূপচর্চায় ভাতের মাড়ের আশ্চর্য সব ব্যবহার সম্পর্কে-

মশ্চেরাইজার হিসেবে:

ত্বককে হাইড্রেটেড রেখে, ত্বকের শুস্কতা দূর করে ত্বকে মশ্চেরাইজ রাখতে সহায়তা করে ভাতের মাড়। তাই রূপচর্চায় রাখতে পারেন ভাতের মাড়। ব্যবহারের আগে অবশ্যই ঠান্ডা করে নেবেন।

উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়:

ভাতের মাড় ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ ভাতের মাড় নিয়ে সারা মুখে ম্যাসাজ করুন। মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। ভাতের মাড় ব্যবহারে ত্বকের কালচে ভাব দূর হয়। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে চাইলে ব্যবহার করুন ভাতের মাড়।

ব্রণ কমায়:

ব্রণ কমছে না? ভাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগান। দিনে অন্তত ২-৩ বার এই ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ভাতের মাড় ব্যবহার করলে ত্বকের বলিরেখা ও ডার্ক সার্কেল দূর হয়।

ত্বকে বয়সের ছাপ কমায়:

ভাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে মুখের ও হাত-পায়ের রোদে পোড়া অংশে নিয়মিত মাখতে পারলে বাড়বে ত্বকের জেল্লা। এই পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ত্বক থাকবে সতেজ, বজায় থাকবে ত্বকের আর্দ্রতা। এছাড়াও ত্বকের হাইপার পিগমেন্টেশন আর ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

চুল গোড়া থেকে মজবুত করতে:

ভাতের মাড়ে পানি মিশিয়ে খানিকটা পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে ভাতের মাড় দিয়ে মিনিট তিনেক রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যার মোকাবিলায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়া চুল গোড়া থেকে মজবুত করতে আর চকচকে করতে সাহায্য করে এই পদ্ধতি।