জ্বর হলে প্রথমে আমাদের যা করতে হবে

আবহাওয়া পরিবর্তনে সাধারণ সর্দি-কাশি, জ্বর তো লেগেই থাকে। সাধারণত জ্বর হলেই সাথে সাথে আমরা ডাক্তারের কাছে যায় না। ঠান্ডা-জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে বাসায় থেকেই কিছু বিষয় মেনে চললে জ্বর সেরে যায়। তাই জ্বর হওয়ার সাথে সাথে আতঙ্কিত না হয়ে কিছু নিয়ম মেনে চলুন যেমন -বিশ্রাম করা, প্রচুর তরল খেতে হবে, জলপট্টি দেওয়া ইত্যাদি।

জ্বর হলে প্রথমে আমাদের যেকাজ গুলি করতে হবে সেসব কাজ নিচে দেওয়া হলো –

জলপট্টি দিন:


জ্বর হলে প্রথমে করণীয় জলপট্টি দেওয়া। জ্বর এলে বারবার মাথায় জলপট্টি দিন এবং পরিষ্কার কাপড় পানিতে ভিজিয়ে পুরা শরীর মুছে দিন। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং আক্রান্ত রোগী ভালো বোধ করেন।

এছাড়া মাথায় পানি ঢালতে পারে। এটা করলে আরও ভালো হয়।

প্রচুর তরল খেতে হবে:


জ্বর হলে প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা জরুরী। পানি পানের পাশাপাশি গরম স্যুপ, আদা-চা, তাজা ফলের জুস, ডাবের পানি, আখের রস ইত্যাদিও খেতে হবে। গরম পানীয়তে কাশিটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। আদা-চা ও গরম পানীয় গলা ব্যথা ও মাথা ব্যথা দূর করতে সহায়ক।

গরম খাবার খান:


গরম খাবার যেমন সুপ, গরম গরম সাবু, চা, গরম গরম ভাত ইত্যাদি খান।

তাপমাত্রা চেক করতে হবে:


বারবার তাপমাত্রা চেক করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন তাপমাত্রা ১০২ এর বেশি না যায়। ১০২ এর বেশি গেলে অবশ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশ্রাম করুন:


জ্বরে কাজ করলে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই বিশ্রামে থাকলে তাপমাত্রা কমবে এবং রোগমুক্তি হবে দ্রুত। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম পড়াও জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

ঠান্ডা পরিবেশে থাকুন:


ঘরের তাপমাত্রা শীতল রাখা এবং পাতলা কম্বল গায়ে দিয়ে রাখুন। এতে আপনার শরীর শীতল থাকবে। যদি জ্বর আর আপনি যদি অনেক কম্বল গায়ে দেন আর ঘরের সব জানালা দরজা বন্ধ করে ঘর গরম করে ফেলেন এতে আপনার শরীর আরও গরম হয়ে যাবে।

হালকা পোশাক পড়ুন:


জ্বর হলে গায়ে ভারী ভারী পোশাক পরতে হবে এমনটা নয়। ভারী পোশাক পড়লে শরীর আরও বেশি গরম মনে হবে। তাই জ্বর হলে হালকা পোশাক পরুন এতে শরীরের তাপ একটু কম মনে হবে।

জ্বর যদি ৩-৪ দিনের বেশি স্থায়ী হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Share