সুস্বাদু গাজরের হালুয়া তৈরির রেসিপি।

গাজরের হালুয়া অনেকেরই পছন্দের খাবার। বাজারে এখন গাজরের ছড়াছড়ি, দামও কম। গাজর কাঁচা খাচ্ছি, সালাদে খাচ্ছি, রান্না করে তো খাওয়াই হয়। ডেসার্ট হিসাবে শেষ পাতে বা বিকালের স্বল্প আহারে সুস্বাদু গাজরের হালুয়ার কোনো তুলনা হয় না। আপনি একবার খেলে বারবার খেতে চাইবেন।

পুষ্টিগুণেও গাজর অনন্য। আমরা অনেকেই জানি, গাজর চোখের জন্য ভালো কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন এ। এছাড়া আরো অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে তাই গাজর আমাদের খেতেই হবে যেকোনো প্রকারে হোক।

গাজরের হালুয়া খুবই মজাদার একটি খাবার।হালুয়া খেতে সবাই খুব পছন্দ করে। বিভিন্ন বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদি থেকে শুরু করে যে কোন অনুষ্ঠানেই আমরা হালুয়ার আইটেম রেখে থাকি। আজকে আমরা আপনাদের একটি সুস্বাদু হালুয়া রান্নার রেসিপি বর্ণনা করবো। সেটি হলো গাজরের হালুয়া।

উপকরণ:

গাজর – ৫০০ গ্রাম বা ১/২ কেজি।
দুধ – ২৫০ গ্রাম।
ঘি – ৫/৬ চা চামচ
গুঁড়ো দুধ ৫ টেবিল চামচ।
এলাচ- ৩-৪টি
কিসমিস – ২ টেবিল চামচ
চিনি – ৬ চা চামচ
বাদাম কুঁচি – ১ টেবিল চামচ
এলাচের গুঁড়ো সামান্য।

গাজর কুঁচি, ঘি, কিসমিস, এলাচের গুঁড়ো, চিনি, গরুর দুধ তরল, গুঁড়ো দুধ, বাদাম কুচি

পদ্ধতি:

প্রথমে দুধ জ্বাল দিয়ে কিছুটা ঘন করে নিতে হবে। কড়াইতে ঘি গরম করুন। ঘি গরম হলে ২-৩টা গোটা এলাচ, কিসমিস, তেজপাতা ফোড়নের মতো দিতে পারেন। অনেকে পরে এলাচের গুঁড়ো অ্যাড করেন। ফোড়নে দিলে গুঁড়ো অপশনাল। এরপর ঘি-এর মধ্যে কুচোনো গাজর দিয়ে নাড়তে থাকুন। হালকা আঁচে ১০-১৫ মিনিট ভেঁজে নিতে হবে। ঘি তে কিছুক্ষন ভাজার পর তরল দুধ ঢেলে দিন।এরপর চিনি দিয়ে দিন। দুধ চিনি গাজর একসাথে সিদ্ধ হতে থাকবে।

দুধ একটু শুকিয়ে গেলে তাতে বাদাম কুঁচি(কাজু, পেস্তা, আলমন্ড) এবং আপনার পছন্দমতো আরো কিছু যদি দিতে চান দিয়ে ঘি তা ছেড়ে দিলে নামিয়ে নিন। ঝরঝরে করতে চাইলে ভাজার দিকে নজর দিন। আর তা না হলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। উপাদানগুলো পরপর এভাবে দিলে হয়ে যাবে মজাদার সুস্বাদু গাজরের হালুয়া।

হয়ে গেলো মজাদার গাজরের হালুয়া। দেখলেন তো, কত অল্প সময়ে এবং খুব সহজেই তৈরি হয়ে গেলো মজাদার গাজরের হালুয়া। তাহলে এখনই রান্না করুন খুব সহজে গাজরের হালুয়া।

 

 

Share