সুস্বাদু খাবার মিষ্টি আলুর আছে অনেক গুণ। জেনে নিন।

নাম আলু হলেও মিষ্টি আলুর সঙ্গে গোল আলুর অনেক পার্থক্য রয়েছে। মিষ্টি আলু খুব সহজেই খাওয়া যায়। সেদ্ধ করে বা তেলে ভেঁজে খাওয়া যায় অথবা বিভিন্ন সবজি বা মাছের সাথে রান্না করেও খাওয়া যায়। আগুনে সেঁকে বা পুড়িয়ে খেতেও খুব মজা লাগে। মিষ্টি আলু বিভিন্ন রঙয়ের হয়। যেমনঃ- সাদা, লাল, বেগুনী, হলুদ এবং গোলাপী।মিষ্টি আলু খোসা ছাড়া কিংবা খোসাসহ দুই ভাবেই খাওয়া যায়। মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, বিটাক্যারোটিন নামীয় এন্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর মিষ্টি আলু ভিটামিন A-এর চমৎকার উৎস হিসাবে কাজ করে বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে।

খাবারের তালিকাতে মিষ্টি আলু রাখার চেষ্টা করুন। পরিমিত খাবেন। খুব বেশি খেতে হবে এমন নয়। মিষ্টি আলুর স্বাস্থ্য সুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো —

১. ‘সুপারফুড’ হিসাবে পরিচিত মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এ কারণে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো ফল পেতে খোসাসহ মিষ্টি আলু খাওয়া উচিত।

২. অত্যাধিক পরিমানে ফাইবার (আঁশ) থাকায় মিষ্টি আলু হজমের জন্য খুবই উপকারী। এটি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে।

৩. কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সীমিত আকারে মিষ্টি আলু খেলে টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪. ফাইবার সমৃদ্ধ মিষ্টি আলু খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। ফলে বার বার খাওয়ার প্রবণতা কমে। নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি কমে যায়।

৫. মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে পটাসিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে। মিনারেল ম্যাঙ্গানিজও পাওয়া যায় যেটা শরীরের বৃদ্ধি, গঠন ও মেটাবলিসম-এর জন্য দরকারী।

৬. এক কাপ পরিমান মিষ্টি আলুতে দিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক ভিটামিন “সি” থাকে। ভিটামিন “সি” ও ভিটামিন “এ” প্রচুর পরিমানে থাকায় মিষ্টি আলু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

আমেরিকা ও কানাডার কিছু কিছু অঞ্চলে মিষ্টি আলুকে ইয়ামস (yams) বলা হয় কিন্তু এটা মিষ্টি আলু থেকে ভিন্ন প্রজাতির। মধ্যে এবং দক্ষিণ আমেরিকাকে মিষ্টি আলুর আদি নিবাস হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হালকা এসিডিক মাটি এবং যে মাটির পি এইচ-এর মাত্রা ৫.০- ৬.৫০ এর মধ্যে সেই মাটি মিষ্টি আলু চাষের জন্য ভালো।

Share