টাইফয়েডের কারণ লক্ষণ এবং চিকিৎসা।

টাইফয়েড কি?

টাইফয়েড জ্বর যা সাধারণত আমরা টাইফয়েড বলে জানি। সালমেনেলা টাইফিমুরিয়াম নামক একটি ব্যাকটেরিয়া এই জ্বর বহন করে। টাইফয়েড জ্বর হলে বেশ কয়েক দিন থাকে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধী শক্তি প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে কম, তাই তারা সহজেই এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত হয়।

টাইফয়েড কারণ:

টাইফয়েড বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দূষিত খাদ্য ও দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন যেখানে মানুষ হাত না ধুয়ে খাবার গ্রহণ করে সেখানে টাইফয়েড এর প্রকোপ বেশি থাকে। টাইফয়েড বহনকারী জীবাণু সংক্রামিত ব্যক্তির মলের দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে যেতে পারে। টাইফয়েড বহনকারী ব্যাকটেরিয়া মানুষের অন্ত্র এবং রক্ত প্রবাহের মধ্যে বসবাস করে। মানুষ টাইফয়েডের জীবাণু বহন করে তাই টাইফয়েড রোগ মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়।

টাইফয়েড লক্ষণ:

টাইফয়েডের দুটি প্রধান উপসর্গ জ্বর এবং ফুসকুড়ি। অন্যান্য উপসর্গ গুলির মধ্যে অন্যতম:

  • দুর্বলতা
  • মাথা ব্যাথা
  • পেট ব্যথা
  • তাপমাত্রা হতে পারে ১০৩-১০৪ ফারেনহাইট
  • ডায়রিয়া এবং বমি

টাইফয়েড চিকিৎসা:

টাইফয়েড যদি দ্রুত ধরা পড়ে, এটি সফলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে। যদি টাইফয়েডের চিকিৎসা ঠিকভাবে করা না হয়, তাহলে টাইফয়েড মারাত্মক হতে পারে। টাইফয়েডের রোগের জন্য কার্যকর চিকিৎসা হল এন্টিবায়োটিক।

শরীরে টাইফয়েডের জীবাণু ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক আপনার টাইফয়েডের ধরন বুঝে প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিকের পরামর্শ দিবেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *